বাংলাদেশে বসে বিদেশের কাজ।
পুরো রাস্তাটা, বাংলায়।
১৮ অধ্যায়, ১৪০ পৃষ্ঠা। কোনো আয়ের প্রতিশ্রুতি নেই, শুধু কাজটা আসলে কীভাবে হয় তার সৎ বর্ণনা।

যে তিনটা মিথ্যা তোমাকে বলা হয়েছে
ফেসবুকে ওই বিজ্ঞাপনটা তুমি দেখেছ। ঘরে বসে মাসে এক লাখ টাকা, নিচে তিনশো জনের কমেন্ট। বইটা শুরুই হয়েছে ওই বিজ্ঞাপনগুলো ভেঙে।
“একটা স্কিল শিখে ফেলো, তারপর টাকা আসবেই।”
যারা ছয় মাস চেষ্টা করে ছেড়ে দেয়, তাদের বেশিরভাগের স্কিলের সমস্যা ছিল না। কেউ জানত না তারা আছে। ক্লায়েন্ট স্কিল কেনে না, নিশ্চিন্ত থাকা কেনে।
“এটা সহজ। ঘরে বসে, অল্প পরিশ্রমে।”
এটা একটা ব্যবসা। প্রথম ছয় মাস সাধারণত চাকরির চেয়ে কঠিন, কারণ পরিশ্রমটা যায় শূন্য আয়ের বিনিময়ে। কেউ আগে বলে না বলেই অনেকে তিন মাসে হাল ছাড়ে।
“আগে একটা ভালো কোর্স কিনতে হবে।”
যে কোর্সটা কিনতে চাইছ, বিক্রেতা কি নিজে সেই কাজ করে আয় করেন, নাকি কোর্স বেচে? আর যেগুলো তোমাকে আটকে রেখেছে, সেগুলো বেশিরভাগ কোর্সে পড়ানোই হয় না।
বইয়ের ভেতরের পাতা
এগুলো আসল পাতা, কোনো নমুনা ছবি না। বইটা লেখা শেষ, ছাপার জন্য তৈরি।

সূচিপত্র। ১৮ অধ্যায়, চার পর্বে সাজানো।

ছয় মাসে আসলে কী ঘটে, মাসে মাসে।

কোন কাজে ঘণ্টাপ্রতি কত, সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ যাচাই করা।

আসল স্ক্যাম মেসেজ, লাল পতাকা চিহ্নিত করা।
১৮ অধ্যায়, চার পর্বে
প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে অন্তত একটি হাতে-কলমে উদাহরণ পাতায় ছাপা আছে। আসল প্রপোজাল, আসল ইমেইল, আসল হিসাব। দ্বিতীয় কোনো ট্যাব খুলতে হবে না।
বাস্তবতা
পুরো মানচিত্রটা। কোন পথ কার জন্য, আর এখন বাজারে কী চলছে।
- এই বই কার জন্য
- চারটি পথ
- কী আসলে বিক্রি হয়
- এখনকার বাজার
নিজেকে তৈরি করা
টেক আর নন-টেক, দুইটা আলাদা ট্র্যাক। নিজেরটা বেছে নাও।
- টেক ট্র্যাক
- নন-টেক ট্র্যাক
- ইংরেজি
- প্রমাণ
- AI-কে কাজে লাগানো
কাজ পাওয়া
বইয়ের সবচেয়ে বড় অংশ। প্রপোজাল, কোল্ড ইমেইল, সিভি, দাম।
- মার্কেটপ্লেস
- সরাসরি ক্লায়েন্ট
- রিমোট চাকরি
- কারা আসলে নেয়
- দাম ঠিক করা
টিকে থাকা
টাকা দেশে আনা, ক্লায়েন্ট ধরে রাখা, আর ফাঁদ চেনা।
- টাকা দেশে আনা
- পেশাদারিত্ব
- ফাঁদ ও স্ক্যাম
- পরের ধাপ
এই বই তোমার জন্য, যদি
- তুমি ছাত্র, হাতে সময় আছে কিন্তু জানো না কোথা থেকে শুরু করবে
- সদ্য পাশ করেছ, চাকরি আর ফ্রিল্যান্সিংয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে পারছ না
- চাকরি করছ, পাশাপাশি বাড়তি আয়ের পথ খুঁজছ
- আগে চেষ্টা করেছিলে, উত্তর আসেনি, তারপর ছেড়ে দিয়েছিলে
- কমার্স বা নন-টেক ব্যাকগ্রাউন্ড, ভাবছ এই জগৎ তোমার জন্য না
কিনো না, যদি
- তুমি চাও আগামী মাসেই টাকা আসুক। প্রথম কয়েক মাস কার্যত শূন্য।
- তুমি একটা নিশ্চিত ফর্মুলা খুঁজছ। এই বইয়ে কোনো গ্যারান্টি নেই।
- তুমি ইতিমধ্যে নিয়মিত বিদেশি ক্লায়েন্টের কাজ করছ। বেশিরভাগটা তোমার জানা।
- পড়তে ভালো লাগে না। এটা ১৪০ পৃষ্ঠার বই, ভিডিও কোর্স না।
কী পাচ্ছ
- পুরো বই
- ১৮ অধ্যায়, ১৪০ পৃষ্ঠা, সম্পূর্ণ বাংলায়
- হাতে-কলমে উদাহরণ
- প্রতি অধ্যায়ে অন্তত একটি, পাতায় ছাপা
- অনলাইনে পড়া
- read.remotejobguidebd.store এ, মোবাইল বা কম্পিউটারে
- শব্দকোষ
- ৩০টির বেশি ইংরেজি শব্দের বাংলা ব্যাখ্যা
একবার কিনলেই যথেষ্ট
৫০০
টাকা, বিকাশে
বইটি ডাউনলোড করা যায় না। শুধু read.remotejobguidebd.store এ লগইন করে অনলাইনে পড়তে পারবে। কেনার আগেই এটা জেনে নাও।
প্রশ্ন ও উত্তর
টাকা দেওয়ার পর কীভাবে বইটা পাব?
বিকাশে পেমেন্ট সফল হলে তোমার ইমেইলে লগইনের তথ্য চলে যাবে। সেটা দিয়ে read.remotejobguidebd.store এ ঢুকে পড়া শুরু করতে পারবে।
বইটা কি ডাউনলোড করা যাবে?
না। এটা শুধু অনলাইনে পড়ার জন্য, কোনো পিডিএফ বা ডাউনলোডযোগ্য ফাইল দেওয়া হয় না। কেনার আগেই এটা জেনে নাও।
মোবাইলে পড়া যাবে?
হ্যাঁ। ফোনের ব্রাউজারেই পড়া যাবে, আলাদা কোনো অ্যাপ লাগবে না।
বইটা কি পুরোটাই বাংলায়?
হ্যাঁ, পুরো ১৪০ পৃষ্ঠাই বাংলায় লেখা। তবে যে কারিগরি শব্দগুলো কাজের জায়গায় ইংরেজিতেই ব্যবহার হয়, সেগুলো ইংরেজিতেই রাখা হয়েছে, আর প্রথমবার ব্যবহারের সময় বাংলায় বুঝিয়ে দেওয়া আছে।
এই বই পড়লে কি চাকরি বা কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা আছে?
না, এবং যে কেউ এই নিশ্চয়তা দিলে তাকে বিশ্বাস কোরো না। বইটা রাস্তা দেখায়, হাঁটতে তোমাকেই হবে। বইয়ের প্রথম অধ্যায়ই এই প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে লেখা।
ইমেইল না এলে কী করব?
প্রথমে স্প্যাম বা প্রোমোশন ফোল্ডার দেখো। সেখানেও না থাকলে যে বিকাশ নম্বর থেকে পেমেন্ট করেছ সেটাসহ আমাদের ইমেইল করো, আমরা হাতে ঠিক করে দেব।
বইটি কিনতে
ইমেইল আর বিকাশ নম্বর দাও। পেমেন্ট সফল হলে লগইনের তথ্য ইমেইলে চলে যাবে, আর তুমি read.remotejobguidebd.store এ পড়া শুরু করতে পারবে।
- ১ইমেইল আর বিকাশ নম্বর দাও
- ২বিকাশের পাতায় পেমেন্ট সম্পন্ন করো
- ৩ইমেইলে লগইনের তথ্য পাও, পড়া শুরু করো